“Hindu Bengali refugees from erstwhile East Bengal in denial mode” – Dr. Mrinal Kanti Debnath

This is a translation of a Facebook post, written in Bengali, by Dr. Mrinal Kanti Debnath. All translation related errors are mine only. Although Dr. Debnath has not asked me to translate – he is very wise and could easily do this on his own – I thought that this post should be read by a wider audience. I unfortunately can not wish the readers a ‘Happy reading’. It is not such, by any means. It is a stark eye opener for the Hindus.

Translation of the original post:

Eminent Psychiatrist Sigmund Freud had elaborated on a theory named ‘Defensive Mechanism of Mind’. Denial is one of the tools mind uses, to keep a semblance of mental balance, according to this theory.

Man faces some incidents in life that are exceedingly painful. When the mind can not withstand such pain, it starts denying the entire authenticity of such incidents. In short, this is called ‘Denial’. The effect is disastrous. He who denies the reality and lives in a make-believe world never benefits – this is as true for a society as it is for an individual.

Partition in 1947 had brought the most savagery for West Bengal. This statement is not to negate the history of tremendous suffering the Hindus and Sikhs had to face in Punjab, at least a part of that wound was healed due to a semblance of property exchange. Congress and Communists had prevented this in West Bengal. Even the destitute Hindu refugees from East Bengal were not properly assimilated in any effective manner. Dr. Bidhan Chandra Roy (Chief Minister of West Bengal) had planned for a resettlement program in Andaman. However, Jyoti Basu and Nehru had scuttled that, too.

Approximately 35 million Hindus – destitute refugees all – took shelter in the mushrooming colonies next the railway tracks in West Bengal. Approximately 10 million more were sent to the Mana camp of present day Chattisgarh, Nainital of present-day Uttarakhand, Karnataka, Andhra Pradesh, and Rajasthan.

35 million refugee Hindus in West Bengal scattered into all of these places, without any other choice. All familial ties broke down, causing immense pain. Homeless, without any of their rightful property with them, friendless – often these people had to live lives of subhuman existence. Enter Communists. Expert Communist propaganda ‘converted’ many of the young people from this section into becoming fiery ‘revolutionaries’, and mind switched into a denial mode, to obscure the real reason for their humiliating state.

“Nothing happened to us, nothing will happen, we are fine, we will be fine in future too” became the common lazy refrain of these refugees and their progeny. Political parties that held Iftaar parties, encouraged cow slaughter, and practiced Muslim appeasement, became the ‘Messiahs of choice’ for them.

Psychiatry says that man can not live in denial forever. Sense returns one day. When that happens, he sees that everything is lost. The successors of the Hindu Bengali refugees from East Bengal will also one day realize what has happened. The treacherous political parties that they had joined will not stand by them at that time. Sitting in the hell hole created by themselves, they will weep, just as our ancestors had been fooled by Gandhi and Nehru, and had to live life of wretched refugee.

I am reproducing the original post written in Bengali script here, for reference:

পশ্চিম বঙ্গের বাংগালী উদবাস্তুরা “ডিনায়াল” Mode এ চলছে
ডাঃ মৃনাল কান্তি দেবনাথ।

সিগমন্ড ফ্রয়েড, মনোবিদ্যার জন্মদাতা । ‘Defenssive Mechanism of Mind’ বলে একটা সুত্রের কথা তিনি বলেছেন । এই সুত্রে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য নানা রকম ক্রিয়া প্রক্রিয়া মধ্যে একটার নাম “ডিনায়াল’।

মানুষের জীবনে এমন নানা ঘটনা ঘটে যার কিছু কিছু ঘটনা খুব বেদনা দায়ক। মানুষের চেতন মন সেই বেদনা যখন আর সহ্য করতে পারে না তখন সেই ঘটনার বাস্তবতা অস্বীকার করতে চায় এবং এর ফলশ্রুতি হিসাবে পুরো ঘটনাকেই বাস্তব বলে মনে করে না । একেই বলে “ডিনায়াল”। কিন্তু এর ফল হয় খুবই খারাপ। বাস্তব কে অস্বীকার করে এক কল্প জগতে বাস করা কখনোই ভালো হতে পারে না-তা সে ব্যাক্তিগত স্তরে হোক বা সামাজিক স্তরে হোক।

দেশ ভাগের ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতে ক্ষতি হয়েছে সব থেকে বেশী পশ্চিম বংগের। পাঞ্জাবে যে যন্ত্রনা হিন্দু এবং শিখ দের ভোগ করতে হয়েছে তার ঘা কিছুটা হলেও সেরেছে লোক এবং সম্পত্তি বিনিময়ের ফলে। পশ্চিমবঙ্গে সেটা করতে দেওয়া হয়নি কংগেস এবং ক্যমুনিষ্ট দের মিলিত প্রচেষ্টায়। এমনকি পুর্ব পাকিস্তান থেকে বিতাড়িত হিন্দুদের এক সার্বিক এবং মানবিক পুনর্বাসন ব্যবস্থাও কোনদিন করা হয়নি। ডাঃ বিধান চন্দ্র রায় আন্দামানে যে উদবাস্তু পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করছিলেন সেটাও বন্ধ করতে হয় জ্যোতি বসু এবং জহরলালের চক্রান্তে।

প্রায় সাড়ে তিন কোটি হিন্দু আশ্রয় নিলো পশ্চিম বংগের রেল লাইনের আশ পাশের রাতা রাতি তৈরী হওয়া কলোনী গুলোতে। আর প্রায় এক কোটিকে ছড়িয়ে দেওয়া হলো ছত্তিশগড়ের মানা ক্যাম্পে , মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলায়, উত্তর প্রদেশের নইনিতালে, কর্নাটকে, অন্ধ্রপ্রদেশে, রাজস্থানে।

পশ্চিম বঙ্গে আগত সাড়ে তিন কোটি হিন্দুদের আত্মীয় স্বজন ওই সব জায়গায় ছড়িয়ে যেতে বাধ্য হলো । বংশ পরম্পরার আত্মিক টান পর্যবসিত হলো এক নিদারূন বিয়োগ ব্যথায়। ঘর ছাড়া, সম্পত্তি ছাড়া, স্বজন বিহীন এই মানুষ গুলো বাধ্য হলো মনুষ্বেতর জীবন যাপন করতে। ক্যমুনিষ্ট নাম ধারী ভাওতা বাজ দের পাল্লায় পড়ে এরা রাতারাতি বিদ্রোহী হয়ে পড়লো অন্তরের জ্বালা জুড়াতে, আর মনের কষ্ট ভুলতে ওদের চেতন মন অবচেতন ভাবে চলে গেলো “ডিনায়াল” মোডে।

“আমাদের কিচ্ছু হয়নি, কিচ্ছু হবে না, আমরা খুব সুখে আছি, সুখে থাকবো” সুখ স্বপ্নে বিভোর হয়ে এই গান করতে করতে আর বগল বাজিয়ে তা ধিন তা ধিন নাচ করতে করতে ভজনা শুরু করে দিলো সেই সব রাজনৈতিক নেতা ও দল গুলোকে যারা ইফতার পার্টি করা, গরুর মাংস খাওয়া, আর যাদের জন্য ঘর ছাড়া হলো তাদের জাত ভাই দের পদ লেহন করা টাকেই একমাত্র পবিত্র কর্তব্য বলে মনে করলো ।

মনস্তত্ত বলে মানুষ এই ‘ডিনায়াল’ মোডে চিরকাল থাকতে পারে না। একদিন সম্বিত ফেরে । সেই মানুষ গুলোর যখন বোধ ফিরে আসে তখন সে দেখতে পায় তার সব হারিয়ে গেছে সব শেষ হয়ে গেছে। সেই বোধ যখন আসবে তখন এই সব ভন্ড রাজনৈতিক লোক গুলোকে আর পাশে পাবে না । নিজেদের খোড়া গর্তে বসে বাকি জীবন শুধু পস্তাতে হবে আর কাঁদতে হবে। ঠিক সেই ভাবে কাঁদতে হবে, যে ভাবে গান্ধী আর নেহেরুর কথায় মজে আমার বাবা ঠাকুরদাদারা উদবাস্তু হয়ে কেঁদে মরেছেন ।

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s